প্রিন্ট এর তারিখঃ Jun 5, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Mar 2, 2026 ইং
ঈদের ছুটি কল্যাণময় হবে যেসব আমলে

পবিত্র মাহে রমজানে মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শেষে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দীর্ঘ অবসর মিলছে ধর্মপ্রাণ মানুষের। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে, আসন্ন ঈদের ছুটিতে নাড়ির টানে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছে সরকারি ও বেসরকারি সব শ্রেণি-পেশার কর্মজীবী এবং চাকরিজীবী মানুষ। ঈদের এ ছুটিতে খুব সহজেই যে কাজগুলো করে ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন সওয়াব অর্জন করা যায়, এমন কয়েকটি কাজ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

পরিবারকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া : শরিয়তের দৃষ্টিতে এমন অনেক ইবাদত আছে, যেগুলোকে আপাতদৃষ্টিতে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না; অথচ তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমনই একটি বিষয় হচ্ছে আপন পরিবারস্থ লোকদের সময় দেওয়া। পরিবারের প্রতি উদাসীন ও অমনোযোগী থাকা একটি পাপ। কর্মজীবী ও চাকরিজীবী মানুষ কর্মের ব্যস্ততায় পরিবারকে যথাযথ সময় দিতে পারে না; তাই ছুটির এ সময়গুলোতে পরিবারকে সময় দেওয়ার সুবর্ণ একটি সুযোগ। রাসুলুল্লাহ (সা.) পরিবারকে সময় দিতেন, তাদের সঙ্গে আনন্দ-বিনোদনে শরিক হতেন। এমনকি রাসুলুল্লাহ (সা.) হজরত আয়েশা (রা.)-কে আনন্দ দেওয়ার জন্য তার সঙ্গে দৌড় প্রতিযোগিতা দিয়েছেন। হজরত আয়েশা (রা.) এক সফরে নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে ছিলেন। আয়েশা (রা.) বলেন, আমি তাঁর সঙ্গে দৌড় প্রতিযোগিতা করে তাঁর আগে চলে গেলাম। বহুদিন পর; আমি মোটা হয়ে যাওয়ার পর তার সঙ্গে আবারও দৌড় প্রতিযোগিতা করলাম, এবার তিনি আমাকে পেছনে ফেলে দিলেন, বিজয়ী হলেন। তিনি বলেন, এই বিজয় সেই বিজয়ের বদলা।’ (আবু দাউদ : ২৫৭৮)
আত্মীয়স্বজনের খবর নেওয়া : একজন সফল মানুষের মধ্যে যেসব ভালো গুণ থাকতে হয়, তার অন্যতম একটি আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। আর তাদের খোঁজখবর নেওয়া ও সাধ্য অনুযায়ী তাদের জন্য খরচ করা। আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সুসম্পর্কের সুফল, দুনিয়ার জীবনেও পাওয়া যায়, এক হাদিসে আছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি নবীজি (সা.)-কে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি তার রিজিক প্রশস্ত ও আয়ু বৃদ্ধি করতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে।’ (বুখারি : ৫৯৮৫)