দ্বিতীয় হিজরিতে পবিত্র কোরআনের আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ উম্মতের ওপর রমজানের রোজা ফরজ করেছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রমজানের প্রথম দশক রহমতের, মধ্য দশক মাগফিরাতের আর শেষ দশক নাজাতের।’ প্রথম দশকে আল্লাহ বান্দার প্রতি রহমত নাজিল করেন। রমজান মাসের রহমতের দশকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। কপটতা না করে, মানুষের দোষত্রুটি অন্বেষণ না করে, রহমত-বরকত-মাগফিরাতের মাসে বেশি নেক আমল করতে হবে।
রহমতের মাস রমজানজুড়ে পাপ কাজ থেকে বিরত থাকা এবং নেক কাজে নিয়োজিত থাকা অনেক সহজ। তাই রমজানের রহমতের দশকে আল্লাহর অনুগ্রহ পেতে রোজাদারের করণীয় হলো: ১. দিনের বেলা একনিষ্ঠতার সঙ্গে রোজা পালন করা। ২. জামাতে নামাজ আদায় করা। ৩. রাতের তারাবিহ ও তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া। ৪. কোরআন তিলাওয়াত করা। ৫. দান-সদকা করা। ৬. ফিতরা ও জাকাত দেওয়া। ৭. আল্লাহর জিকির করা, তাকওয়া অর্জনে সচেষ্ট হওয়া।
রমজানে রহমত বা অনুগ্রহ পাওয়ার ঘোষণা রয়েছে, ‘যে ব্যক্তি বিশ্বাসের সঙ্গে সওয়াব বা প্রতিদান পাওয়ার নিয়তে রমজান মাসে রোজা রাখবে, তার বিগত জীবনের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’
নিউজ ডেস্ক…