২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ শনিবার | দুপুর ১:০৮ মিনিট
ঋতু : বসন্তকাল | ৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম :
বন্দর রাজবাড়ীর নূর মোহাম্মদ ব্যাংকারের স্মরণে দোয়া ও ইফতার মাহফিল পুরুষরা এখনো স্ত্রী হিসেবে কুমারী কনে খোঁজে: নীনা গুপ্তা ইসলাম রমজানের প্রথম ১০ দিনে করণীয়…….. ৪০ লিটার দুধ দিয়ে গোসল করে জুয়া ছাড়লেন যুবক আরব অঞ্চলে দ্রুত তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আমরা দায়বদ্ধ : জামায়াত আমির আগামী ১২ মার্চ অথবা এর দুই একদিন আগে সংসদের অধিবেশন বসবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শুরুতেই ধাক্কা খেল জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ প্রশাসনে মবকে প্রশ্রয় দেওয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হবে : তথ্যমন্ত্রী বাংলা ভাষার সঙ্গে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ চলবে না : বিদ্যুৎমন্ত্রী ভাষাশহীদদের চেতনায় গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর রমজানেই ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী দেবে সরকার দু-এক দিনের মধ্যে ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা দৃশ্যমান হবে : জামায়াত আমির মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে গৃহবধূকে ধর্ষণ, ২ আনসার সদস্য আটক প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১৩ জন আনসার সদস্য থাকবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন, সরকার ব্যর্থ : মির্জা ফখরুল ২ লাখ কোটি টাকার সংশোধিত এডিপি অনুমোদন নিজেকে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ঘোষণা ট্রাম্পের শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে দেশব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণার সূচনা করবেন তারেক রহমান। বাসায় ডেকে নবম শ্রেণির ২ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

আরব অঞ্চলে দ্রুত তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড

ncitynews24.com
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | আপডেট: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আরব অঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার সাম্প্রতিক দশকগুলোতে দ্রুত বেড়েছে। ২০২৪ সাল ছিল এ অঞ্চলের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছর। জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা ওয়ার্ল্ড মেটোরোলজিকাল অরগানাইজেশন (ডব্লিউএমও) প্রকাশিত ‘স্টেট অব দ্য ক্লাইমেট ইন দ্য আরব রিজিয়ন ২০২৪’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ডব্লিউএমও জানায়, ২০২৪ সালে আরব অঞ্চলের গড় তাপমাত্রা ছিল ১৯৯১-২০২০ সময়কালের গড়ের চেয়ে ১ দশমিক শূন্য ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। উত্তর আফ্রিকা ও নিকটপ্রাচ্যে তাপপ্রবাহের সময়কাল ও তীব্রতা বেড়েছে। কয়েকটি দেশে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি রেকর্ড করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি ডব্লিউএমও, ইউনাইটেড ন্যাশনস ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর ওয়েস্টার্ন এশিয়া ও লিগ অব আরব স্টেটসের যৌথ উদ্যোগে প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, আরব অঞ্চলে বিশ্বের ১৫টি সবচেয়ে পানি-স্বল্প দেশের অবস্থান, ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি এখানে আরও বেশি।

ডব্লিউএমওর মহাসচিব সেলেস্টে সাউলো বলেন, তাপমাত্রা বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হারে বাড়ছে। দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ মানবস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে খরা আরও ঘনঘন ও তীব্র হচ্ছে। আবার কিছু দেশে আকস্মিক ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।

২০২৪ সালে চরম আবহাওয়া প্রায় ৩৮ লাখ মানুষকে প্রভাবিত করেছে এবং ৩০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ১৯৮০-১৯৯৯ সময়কালের তুলনায় ২০০০-২০১৯ সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা ৮৩ শতাংশ বেড়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আরব অঞ্চলের প্রায় ৬০ শতাংশ দেশে বহুমাত্রিক আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা রয়েছে, যা বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে বেশি হলেও এখনও যথেষ্ট নয়। জীবন ও জীবিকা রক্ষায় এসব ব্যবস্থায় আরও বিনিয়োগ প্রয়োজন।

পানি সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ, বর্জ্যপানি পুনর্ব্যবহার, বাঁধ নির্মাণ ও উন্নত সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণে জোর দিচ্ছে।

এছাড়া ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জের জলবায়ু পূর্বাভাস সংযুক্ত করে প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, উচ্চ নিঃসরণ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে শতাব্দীর শেষে আরব অঞ্চলে গড় তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি উপকূলীয় শহরগুলোর জন্য হুমকি হয়ে উঠছে এবং বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় খাদ্য উৎপাদন ও পানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ছে।

ডব্লিউএমও বলছে, এই প্রতিবেদন নীতিনির্ধারকদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবে এবং জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। তথ্যসূত্র : ডব্লিউএমও