প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মানুষের পরিচয়ের মূলেই রয়েছে মাতৃভাষা। সকলকে নিজের মাতৃভাষার গুরুত্ব বুঝতে হবে। অন্যথায় থ্রি জিরো তত্ত্ব ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন সম্ভব হবে না। কারণ কাউকে পেছনে রেখে এগুলো বাস্তবায়ন করা যাবে না।
তিনি বলেন, মাতৃভাষাতেই অভ্যন্তরীণ অভিব্যক্তির যথার্থ প্রকাশ হয়। জুলাই অভ্যুত্থানসহ বাংলাদেশ নির্মাণের ইতিহাসে মাতৃভাষার বহিঃপ্রকাশ রয়েছে। ভাষায় জাতিগত, সাংস্কৃতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন থাকে। এর ফলেই জাতিগুলোর মধ্যে এত বৈচিত্র্য দেখা যায়।
ড. ইউনূস বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়তে হলে মাতৃভাষাকে গুরুত্ব দেওয়ার বিকল্প নেই। ব্যক্তি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে হলে একটি ভাষাকেও বিলুপ্ত হতে দেওয়া যাবে না। এ সময় ইউনেস্কো পৃথিবীর প্রতিটি মাতৃভাষার সংরক্ষণ ও প্রসারে ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সূত্র- কালবেলা